১২ বছরের টিনগুলোতে মরিচা ধরে ঝাজড়া হয়ে যায় এবং নানা ঝড় ঝাপটায় মাদ্রাসাটি নড়বড়ে হয়ে এখন বৃষ্টির সময় টিনের চালা দিয়ে প্রচুর বৃষ্টির পানি পড়ে ছাত্রদের কুরআন শরীফ ও হাদিস শরীফ, বই-খাতা বিছানাপত্র ভিজে একাকার হয়ে যায়। গভীর রাতে বৃষ্টি হলে সব কিছু গুটিয়ে ঘুমহীন জেগে থাকতে হয়।
অপর দিকে এত বড় প্রতিষ্ঠানটির সংলগ্ন স্থানে পানীয় জলের জন্য কোন গভীর নলকুপ নেই। তা ছাড়া ৩শ ছাত্রের জন্য নেই কোন পায়খানার সুব্যবস্থা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে অন্যতম এই মাদ্রাসাটির সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বরগুনা জেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই প্রতিষ্ঠানটি পুরস্কারের শীর্ষে রয়েছে।
Leave a Reply